
সময়মতো এলএনজিবাহী জাহাজ না আসায় মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালে গ্যাসের মজুত প্রায় শেষ হয়ে গেছে। এতে দেশে আবারও তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন ও বাসাবাড়িতে এর প্রভাব পড়ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে বর্তমানে মাত্র ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে। সামিটের টার্মিনালসহ এলএনজি থেকে মোট সরবরাহ নেমে এসেছে প্রায় ৫৩৬ মিলিয়ন ঘনফুটে। এর সঙ্গে দেশীয় উৎসের প্রায় ১ হাজার ৬০৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে।
আগামী ২৩ আগস্টের আগে নতুন কোনো এলএনজি কার্গো আসার সম্ভাবনা না থাকায় অন্তত আরও এক সপ্তাহ সংকট অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার জরুরি বৈঠক করে স্পট মার্কেট থেকে দুটি এলএনজি কার্গো কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জানা গেছে, আগস্টে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে কেনা চারটি এলএনজি কার্গো আসার কথা থাকলেও সোমবার পর্যন্ত একটিও দেশে পৌঁছায়নি। এর মধ্যে একটি কার্গোর জাহাজ যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকায় সেটি গ্রহণে আপত্তি জানিয়েছে সরকার। অন্যদিকে সৌদি আরব থেকে আসা আরেকটি কার্গোও ঝুঁকির কারণে টার্মিনাল গ্রহণ করেনি।
এদিকে জরুরি ভিত্তিতে আরও পাঁচটি কার্গো কেনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তিনটির জন্য কোনো প্রস্তাব পাওয়া যায়নি। ফলে এলএনজি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।
টার্মিনালে আগের সমস্যার পর টানা ২৭ দিন গ্যাস সংকটের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই নতুন করে কার্গো সংকটে পড়েছে দেশের জ্বালানি খাত।